Monday, 20 August 2012

ওসমানীনগরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ : কামরাঙ্গীরচরে ইজ্জত হারাল আরেক শিশু

ডেস্ক রিপোর্ট সিলেটে ওসমানীনগরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সারজান খাঁর বাড়িতে এক মাদরাসা ছাত্রীকে রাতভর আটক রেখে গণধর্ষণ করেছে একদল বখাটে। কামরাঙ্গীরচরে ৭ বছরের শিশু গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ধর্ষণকালে জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এক বখাটেকে। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনার জেরে এক গৃহবধূকে মাথার চুল কেটে ন্যাড়া করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিস্তারিত আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে : কামরাঙ্গীরচরে শিশুকে গণধর্ষণ : ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে ৭ বছরের এক শিশু গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষক এলাকার প্রভাবশালী ও একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতার ছেলে হওয়ায় বিষয়টি প্রথমে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। ধর্ষকের বাবা কামরাঙ্গীরচর থানার একজন এসআইকে বিপুল উেকাচ দিয়ে নিজ সন্তানকে ধর্ষণ মামলার এজাহার থেকে নাম বাদে সক্ষমও হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে এলাকার কোম্পানীরঘাট বাছেত মোল্লার বাড়ির নিচতলায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী জানান, গত ১৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার ইফতারের পর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কোম্পানীঘাট এলাকার ভাড়াটিয়া মো. কামাল হোসেনের মেয়ে ঘর থেকে বের হয়ে কামরাঙ্গীরচর থানা এলাকার কোম্পানীঘাট সংলগ্ন বাছেত মোল্লার মার্কেটে বাসার জন্য তেল আনতে যায়। এ সময় বাছেত মোল্লার বখাটে ছেলে মো. রনি ও প্রতিবেশী আবদুর রাজ্জাকের বখাটে ছেলে আবু বকর তাকে বাসেত মোল্লার বাড়ির নিচতলায় খালি জায়গায় নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের এক পর্যায়ে মেয়েটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটির চিত্কার শুনে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করে। এর পর অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের সিসি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। মেয়েটি এখন হাসপালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। এ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এলাকার একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা বাছেত মোল্লা ধর্ষিতার বাবা কামাল হোসেন ও মা শিরিন আকতারকে চাপ প্রয়োগ করে। তারা মীমাংসা করতে রাজি না হলে তাদের এলাকা ছাড়তে হবে বলে ভয়-ভীতি দেখায়। কিন্তু এলাকাবাসীর চাপের মুখে বাছেত মোল্লা বিষয়টি মীমাংসা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। পরে তিনি কামরাঙ্গীরচর থানার একজন এসআই মফিজুল ইসলামকে বিপুল পরিমাণ উেকাচ দিয়ে নিজের সন্তান রনিকে ধর্ষণ মামলার এজাহার থেকে নাম বাদ দিতে সক্ষম হয়েছেন। এ ব্যাপারে কামরাঙ্গীরচর থানার এসআই মফিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মেয়েটিকে জুস খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে বাছেত মোল্লার বাড়ির নিচে নিয়ে আবু বকর একাই ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে—যার নন্বর ১৬। তিনি উেকাচ নিয়ে রনির নাম বাদ দেয়ার কথা অস্বীকার করেন। ওসমানীনগরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে মাদরাসা ছাত্রীকে গণধর্ষণ : সিলেটের ওসমানীনগরে এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে মহিলা মাদরাসার এক ছাত্রীকে দুই দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৪ আগস্ট ওসমানীনগরের ঘোঁষগাও গ্রামে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা ওসমানীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করলেও স্থানীয় কিছুসংখ্যক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষিতার পরিবার থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জনা যায়, গত ১৪ আগস্ট রাতে থানার ঘোষগাঁও গ্রামের এক দিনমজুরের মাদরাসাপড়ুয়া চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী বাথরুমে যাওয়ার পথে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একই গ্রামের নেপুর মিয়া, শানুর মিয়া, আইয়ব আলীসহ চার-পাঁচজনের একটি দল তাকে জোর করে অপহরণ করে আওয়ামী লীগ নেতা সারজান খাঁর বাড়িতে তুলে নেয়। সেখানে প্রায় ২ দিন আটকে রেখে তারা গণধর্ষণ করে। ধর্ষিতার বাবার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল ওসমানীনগর থানা পুলিশ আওয়ামলী লীগ নেতা সারজান খাঁর বাড়ি থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। বীরগঞ্জে ধর্ষক আটক : দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার শতগ্রাম ইউনিয়নের অর্জুনাহার আশ্রয়ণের বাসিন্দা চন্দন রায়ের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে প্রবেশ করে তার স্ত্রীকে ধর্ষণের সময় এলাকাবাসী ধর্ষককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। ধর্ষক একই এলাকার খড়িকাদাম গ্রামের দর্শন রায়ের ছেলে ও বীরগঞ্জ সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসের দলিল লেখক নগেন্দ্র নাথ রায়। নবীগঞ্জে গৃহবধূর চুল কর্তন : হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের গুমগুমিয়া গ্রামে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে শেখ সুহেনা বেগম নামের এক গৃহবধূকে মারধর করে মাথার চুল কেটে দিয়েছে প্রতিবেশী দুর্বৃত্তরা। এ ব্যাপারে নির্যাতিতার স্বামী আহমদ আলী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ওই এলাকার আলী আহমদের বসতঘরে প্রতিবেশী নুরুজ্জামানের একটি মোরগ প্রবেশ করে জিনিসপত্র নষ্ট করে। এ নিয়ে দু’পরিবারে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নুরুজ্জামানের ভাই রহমত আলী ও ভাগ্নে জাকির হোসেন মিলে সুহেনাকে মারধর করে এবং জোরপূর্বক তার মাথার চুল কেটে ফেলে। পরে আহত অবস্থায় সুহেনাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। http://www.amardeshonline.com/pages/details/2012/08/18/159903

No comments:

Post a comment